মারা যাওয়ার পাঁচদিন পর ফলাফল আসে তিনি করোনা পজেটিভ ছিলেন। এ নিয়ে কমলগঞ্জে তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের সুনছড়া চা বাগানে মৃত চৈত্যু কর্মকার (৬৫) করোনা আক্রান্ত ছিলেন। সুনছড়া চা বাগানের স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৈতু কর্মকার গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় গরু খুঁজতে গিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরেন। বাড়িতে ফিরে তিনি আকস্মিকভাবে মাটিতে পড়ে যান। রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরদিন ২৮ এপ্রিল কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ তার নমুনা সংগ্রহ করে। সংগৃহীত নমুনা সিলেট পাঠালে শনিবার রাতে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে জানানো হয় মৃত চৈত্যু কর্মকার এর করোনা পজিটিভ ছিল। এ খবর জানাজানি হলে সুনছড়া চা বাগানসহ আশাপাশের গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। রাত ১১ টার দিকে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশেকুল হক সুনছড়া চা বাগানে গিয়ে মারা যাওয়া চৈত্যু কর্মকারের বাড়িটি লকডাউন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রামভজন কৈরী, কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম, মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া ও কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমান।

বার্তা বিভাগ প্রধান