Home » সিলেটে রমজানের আগেই ঊর্ধ্বমুখী বাজার দর

সিলেটে রমজানের আগেই ঊর্ধ্বমুখী বাজার দর

রমজান শুরু হতে আর মাত্র দুইদিন বাকি, এরমধ্যেই বাজারে বাড়তে শুরু করেছে সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা জিনিসপত্রের উচ্চ দাম কম ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষদের বিপাকে ফেলেছে। এটি সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে সিলেটে সপ্তাহ ব্যবধানে আরও চড়েছে মুরগি গরু ও খাসির মাংসের দাম। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগও কাজে আসছে না।বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহের মাংসের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। খুচরা বাজারে যা আরও বেশি। ক্রেতাদের মতে পণ্যের দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই বাজারে, বরং ঊর্ধ্বমুখী। এতে তাদের কপালে পড়েছে দুশ্চিন্তার ভাঁজ, বেড়েছে বাজার ভীতি।সিলেটের বিভিন্ন বাজারে আজ ব্রয়লার মুরগির বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা কেজিতে যা এক থেকে দেড় সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে। গত সপ্তাহে দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা কেজিতে মিললেও এখন তা ৫৮০ টাকা। বেড়েছে গরুর মাংসের দামও। ৭৫০ টাকা কেজি গরুর মাংসের দাম এখন সর্বোচ্চ ৭৮০ টাকা। আর ৫০ টাকা বেড়ে খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা কেজি।

বিক্রেতাদের জানান, পাইকারি বাজারে মুরগির দাম বাড়ায়, খুচরা বাজারেও বেড়েছে। কেরানীগঞ্জের জিনজিরা বাজারের নূরুল ইসলাম বলেন, বাজারে হঠাৎ করেই মুরগির সরবরাহ কমে গেছে। এতে পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায়; এর প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে।গত এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে ৫০-১০০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকায়। তবে বাড়েনি খাসির মাংসের দাম। বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৫টাকা থেকে এক হাজার ১০০ টাকায়।ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রতিবারের মত এবারও রমজান আসার পূর্বে পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করছে। পণ্যের দাম কমাতে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকর কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।

বিক্রেতাদের জানান, পাইকারি বাজারে মুরগির দাম বাড়ায়, খুচরা বাজারেও বেড়েছে। বাজারে হঠাৎ করেই মুরগির সরবরাহ কমে গেছে। এতে পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় এর প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে। আর গরু বা খাসির মাংসের দাম বৃদ্ধির যৌক্তিক কোনো ব্যাখ্যা নেই বিক্রেতাদের কাছে।ক্রেতাদের দাবি রমজানের আগে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেয়া দরকার। সেজন্য বাজার মনিটরিং এর দিকে আরো জোর দিতে হবে সরকারকে।

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *